কিন্তু সেসব দাবিদাওয়াকে ওই চিকিৎসক আমল না দেওয়ায় তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে হুগলির চণ্ডীতলার শিয়াখালায়। যদিও পাল্টা ওই তৃণমূল নেতা দাবি করেন, ওই চিকিৎসকই মদ্যপ অবস্থায় এসে তাঁর উপর হুজ্জুতি শুরু করেন। কাউকে মারধর করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
চণ্ডীতলার শিয়াখালায় ডায়গনস্টিক সেন্টার করার পরিকল্পনা নেন চিকিৎসক মিন্টু ঘোষ। এরজন্য শিয়াখালা গ্রামপঞ্চায়েতের ছাড়পত্র প্রয়োজন ছিল। মিন্টু ঘোষের অভিযোগ, তিনি ছাড়পত্রের জন্য গ্রামপঞ্চায়েত অফিসে গেলে বলা হয় অঞ্চল সভাপতি সূর্য ঘোষালের কাছে যেতে।
সেইমতো বৃহস্পতিবার ওই চিকিৎসক সূর্য ঘোষালের সঙ্গে দেখা করতে যান তৃণমূল কার্যালয়ে। অভিযোগ, সেখানেই সূর্য তাঁর কাছে ২ লক্ষ টাকা চান। তা তিনি দিতে চাননি বলে মারধর করা হয়, হেনস্থা করা হয়। চণ্ডীতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই চিকিৎসক। এদিকে শুক্রবার ওই চিকিৎসকের বাবা গৌরমোহন ঘোষকেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী থানায় দায়ের করা অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ আসতে থাকে বলেও অভিযোগ।
যদিও শিয়াখালা অঞ্চল সভাপতি সূর্য ঘোষালের দাবি, বৃহস্পতিবার ওই চিকিৎসক মদ্যপ অবস্থায় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান। পা টলছিল। সে সময় কার্যালয়ে মহিলারাও ছিলেন। সে কারণে ওই চিকিৎসককে বেরিয়ে যেতে বলেন। সূর্য ঘোষালের বক্তব্য, “সূর্য ঘোষাল টাকা দেয়, টাকা নেয় না।” এ প্রসঙ্গে সিপিএমের স্থানীয় নেতা সোমনাথ ঘোষ বলেন, গোটা রাজ্যজুড়ে একই অবস্থা। তৃণমূলের জুলুমবাজি থেকে চিকিৎসকরাও বাদ যাচ্ছেন না।