Jwellery Robbery: ডানকুনিতে ফিল্মি কায়দায় জুয়েলারী শোরুমে ডাকাতি, ধৃতদের শ্রীরামপুর আদালতে পেশ করল ডানকুনি থানার পুলিশ

নিজস্ব সংবাদদাতা: ডানকুনিতে ফিল্মি কায়দায় জুয়েলারী শোরুমে ডাকাতি, কয়েক কোটি টাকার সোনা ও হিরের গহনা লুট করে নিয়ে পালানোর সময় গোঘাটে ধরা পরে যায় বিহারের গ্যাং।আজ ধৃতদের শ্রীরামপুর আদালতে পেশ করে পুলিশ।

গতকাল পৌনে তিনটে নাগাদ ডানকুনি টি এন মুখার্জি রোডে সেনকো জুয়েলার্সের শোরুমে ঢুকে পরে সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা।শোরুমের নিরাপত্তারক্ষী, ক্রেতা ও কর্মচারীদের গানপয়েন্টে রেখে ডাকাতি করে।ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় সেই চাঞ্চল্যকর দৃশ্য।চন্দন নগর কমিশনারেট ঘটনার তদন্ত শুরু করে,ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সিপি চন্দননগর,ডিসিপি এসিপিরা।পরে তদন্তে আসে সিআইডির একটি দল।ডাকাতি হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই হুগলি গ্রামীণ পুলিশের গোঘাট থানা এলাকায় বাসে করে পালানোর সময় ধরা পড়ে চার দুষ্কৃতী। উদ্ধার হয় গহনা ভর্তি ব্যাগ এবং আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ।

চন্দননগর পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি জানিয়েছেন,ডাকাত দলটি বিহারের সিওয়ানের। দুটি মোটর বাইক নিয়ে ছয় জন দুষ্কৃতী হানা দিয়েছিল জুয়েলারি শোরুমে।চারজন গ্রেপ্তার হয়েছে। ধৃতরা হল,সঞ্জীব দাস,বিনয় দাস,অক্ষয় পাশওয়ান ও অরুন মাহাত। ধৃতদের কাছ থেকে নয় কেজি সোনা ও হিরের গহনা উদ্ধার হয়েছে। ডাকাত দলের আরো দুই সদস্য এখনো ফেরার রয়েছে। তাদের কাছেও বেশ কিছু সোনা আছে।আজ শ্রীরামপুর আদালত থেকে তাদের জেলে হেফাজতে পাঠানোর পর টিআই প্যারেড করিয়ে নিজেদের হেফাজতে নেবে পুলিশ।

ডাকাতির ঘটনার পরেই পুলিশ যেভাবে তৎপর হয়ে নাকা চেকিং শুরু করে এবং তার ফলেই ধরতে সমর্থ হয় তাতে খুশি সেনকো কর্তৃপক্ষ। সেনকোর ডানকুনি শোরুমের ম্যানেজার সঞ্জীব সেন বলেন,পুলিশ খুব দ্রুত দুষ্কৃতিদের ধরেছে এবং সোনা উদ্ধার করেছে।বাকি সোনা এবং দুষ্কৃতিরা ধরা পড়বে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Please Type Your Valuable Feedback.
Keep Supporting. Flow as on YouTube & Facebook.

নবীনতর পূর্বতন