বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক মারধরে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় এলাকায়। এলাকায় ছিল বিজেপির একটি অস্থায়ী ক্যাম্প। প্রথমে অভিযোগ ওঠে, সেই ক্যাম্প ভাঙচুর করেছে কেউ বা কারা। এরপর খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় বিজেপি প্রার্থী। সেখানে গেলেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর পুলিশ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স পৌঁছয় এলাকায়।
সূত্রের খবর , আহত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী। তাঁর সামনেই বিজেপি সমর্থকের মাথা ফেটে যায়। রক্ত ঝরে। প্রথমে পুলিশকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। পরে খবর পেয়ে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁদের উপস্থিতিতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। মহিলাদেরও দেখা যায় অ্যাকশন মোডে। ঘুষি-লাথি দেওয়ার ছবিও দেখা যায় ভোট চলাকালীন।
এটাই প্রথম নয়, সকাল থেকে হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে। লিলুয়ায় উঠেছে বোমাবাজির অভিযোগ।