প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, প্রতিটি ট্রলারেই ৭০ থেকে ৮০ জন করে যাত্রী ছিলেন। ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা সত্ত্বেও, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে ট্রলার চালকরা অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নদী পার করছিলেন। তারই মধ্যে, মোংলার দ্বিতীয় বৃহত্তম নৌবন্দরে ভেড়ার ঠিক মুখে ডুবে যায় একটি ট্রলার। দূর্ঘটনার পর খবর পেয়ে ছুটে আসেন ডুবে যাওয়া ট্রলারে থাকা যাত্রীদের স্বজনরা। পৌরসভার একটি টোল আদায়ের কাউন্টারে ভাংচুরও চালায় তারা। এই ঘটনার পর থেকে মোংলা নদীতে ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী তোলার দায় ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলেছেন মোংলা নদী পারাপার ট্রলার মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম বাবুল। তিনি বলেছেন, “যাত্রীরা লাফিয়ে লাফিয়ে ট্রলারে উঠে পড়লে, আমাদের কী করার আছে?” প্রশ্ন উঠেছে, শনিবার রাতেই সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হলেও, কেন খোলা রাখা হয়েছিল স্থানীয় ওই কারখানা? কারখানার মানব সম্পদ বিভাগের ম্যানেজার, মিজানুর রহমানের দাবি, সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি হওয়ার পরই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাহলে কেন এদিন সকালে শ্রমিকরা নদী পার হচ্ছিলেন, এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি তিনি। শ্রমিকদের অভিযোগ, মিজানুরই ফোন করে তাদের ঝড়ের মধ্যেও কারখানায় আসার নির্দেশ দিয়েছিলেন।