শেষ দফায় যে এলাকাগুলিতে ভোট রয়েছে, সেখানে শওকতের ভূমিকা অনেকটাই বেশি। যাদবপুর থেকে জয়নগর, সব কেন্দ্রের প্রার্থীদের জন্যই কাজ করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। এদিন যাদবপুরের প্রার্থী সায়নী ঘোষের সমর্থনেই এই জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই মঞ্চে দেখা যায় শওকতকে। এদিন ভোটের কাজের কথা বলেই সিবিআই দফতরে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন শওকত মোল্লা।
আর এই সিবিআই নোটিস নিয়েও মঞ্চ থেকে এদিন রীতিমতো সুর চড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্যের শেষে তিনি হাত ধরে পাশে নিয়ে আসেন শওকতকে। কাঁধে হাত রেখে বলেন, “বেচারা শওকতের মতো একটা ছেলেকেও মধ্যরাতে নোটিস পাঠিয়েছে, ভাবুন।” আর এক তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীকেও তলব করা হয়েছে, সে কথাও এদিন উল্লেখ করেছেন মমতা। এই ইস্যুতে সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, “লজ্জা করে না! ইডি, সিবিআই অফিসারদের বলব সারাজীবন মোদীবাবু থাকবেন না। দেবরাজকেও নোটিস পাঠিয়েছে। ভোটের প্রচারের মাঝে এ গুলো করা যায় না।” উল্লেখযোগ্য বিষয়, কয়লা পাচার মামলায় একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে শওকতকে। হাজিরাও দিয়েছেন তিনি।