উল্লেখযোগ্য বিষয়, বিজেপি যখন প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে সেই তালিকায় প্রথমে নাম ছিল না দিলীপের। পরে দেখা যায় তথাকথিত তাঁর লোকসভা কেন্দ্র মেদিনীপুর থেকে সরিয়ে পাঠানো হয় বর্ধমান দুর্গাপুরে। তবে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন দিলীপ ঘোষ। প্রার্থী তালিকায় নাম ঘোষণা হওয়ার পরই সেরেছিলেন প্রচার। তাঁকে বারাবার বলতে শোনা গিয়েছিল, “দল যা ভাল করেছে তাই করেছে।” তবে তিনি তাঁর সবটুকু দিয়ে লড়বেন।
২০১৬ সালে বিজেপি-তে আসার পর থেকে এই প্রথমবার পরাজিত হল দিলীপকে। অপরদিকে, আত্মবিশ্বাসে ভরপুর তৃণমূলের কীর্তি আজাদও জানিয়েছিলেন শেষ হাসি তিনিই হাসবেন। কিন্তু প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদকে তৃণমূল প্রার্থী করায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। বাইরে থেকে আসা একজন প্রার্থীকে ভোটাররা কতটা মেনে নেবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু দেখা গেল কীর্তি আজাদ যেখানে পেয়ে ৭লক্ষ ১৬ হাজার ৫৪৫ ভোট। সেখানে দিলীপের প্রাপ্ত আসন ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৮৯৭ ভোট।