নিউজ ডেস্ক - আগামী বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ হতে চলেছে মুরগি পরিবহন। কিন্তু কেন? গত ১১ই জুলাই বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্রে সমীর ঘোষ নামে একটি মুরগির গাড়ির চালক পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা থানা এলাকায় পুলিশের দ্বারা আক্রান্ত হন। তাঁর বাড়ি শালবনীতে। ঘটনার পর সেই চালককে উদ্ধার করে প্রথমে বেলদা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেদিনীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বেলদা থানার আইসি পরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার এবং নবান্নে অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা মেল মারফত জানান।কিন্তু তার উত্তর মেলেনি বলে দাবি করছেন অ্যাসোসিয়েশনের।
এই প্রসঙ্গে সংগঠনের এক কর্তা বলেন, “একটি মুরগি বোঝাই গাড়ি পুলিশ আটক করে। বৈধ নথি থাকা সত্বেও পুলিশ গাড়ি আটকে রাখে। হেনস্থা করা হয় চালককে। টাকা চাওয়া হয়। পুলিশ যে টাকা চেয়েছিল সেই টাকা চালকের কাছে না থাকায় উনি দিতে অস্বীকার করেন। চালক নিজের সাধ্য মতো পঞ্চাশ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। আর তার জন্য কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা ওই চালককে টর্চের পিছন দিক দিয়ে মাথায় জোরাল আঘাত করেন। রক্তাক্ত হন চালক। গালিগালাজ করা হয়।”
ঘটনার পর গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে একটি আবাসনে বেশ কয়েকটি জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। তাঁরা ঘোষণা করেন যে, আগামী ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্র থেকে রাজ্য জুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য মুরগি পরিবহন বন্ধ থাকবে।