নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: পর পর ঘটে যাওয়া চুরির কিনারা করলো চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত উত্তরপাড়া থানার পুলিশ।
জানা যায়, জীর্ণশীর্ণকার চেহারার সুযোগ নিয়ে এলাকায় ধারাবাহিকভাবে চুরির ঘটনায় ঘটিয়ে আসছিল দুই দুষ্কৃতি। অবশেষে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতিদের পাকড়াও করলেন চন্দননগর কমিশনারেটের আধিকারীকরা।
অভিযুক্ত দুই দুষ্কৃতির নাম বিট্টু ঠাকুর ও বিশ্বজিৎ দাস। উত্তরপাড়া পুলিশ সূত্রে খবর তাদের থেকে মোট পাঁচ লাখ টাকার সোনা ও রুপোর অলংকারকার ও নগদ প্রায় এগারো হাজার টাকাও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এই বিষয়ে শ্রীরামপুরের ডিসিপি অর্ণব বিশ্বাস বলেন, "একের পর একদিন চুরির ঘটনা ঘটছিল তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রথমে তদন্তের শুরু হয়। সিসিটিভির ছবি দেখেই দুষ্কৃতিদের চিহ্নিতকরণ করা হয়। তারপর দেখা যায় এদের পুরোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড রয়েছে। এদের মধ্যে একজন বিট্টু ঠাকুর তাকে ইকোপার্ক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য আরেকজন চুরির পর তারাপীঠ পালিয়েছিল একে তারাপীঠ থেকেই ধরে পুলিশ। দুই দুষ্কৃতীর বাড়ি শেওড়াফুলি এলাকায়।"
দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তাদের চুরির সামগ্রী থেকে পুলিশের অনুমান , চেহারার সুবিধা নিয়ে অল্প লোহার গ্রিল ফাঁক করে, বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতো এই দুইজন। সেখান থেকেই ঘরের আলমারি ভেঙ্গে একের পর এক লুট চালাচ্ছিল তারা।
পাশাপাশি পুলিশের অনুমান এই দুইজনে মূল এই উত্তর পাড়ার চুরি চক্রের। এদের সঙ্গে আরো কেউ যুক্ত আছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশের আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত , উত্তরপাড়া এলাকার একাধিক জায়গায় সিসি ক্যামেরা অকেজ হয়ে রয়েছে । এ বিষয়ে যদিও প্রশাসনিক স্তরে কথা চলছে পাশাপাশি , শহরে নৈশ প্রতিরোধ বাহিনী গুলিকে কিভাবেকাজে লাগানো যায় সেই নিয়ে সত্বর একটি বৈঠক করা হবে বলে জানান ডি সি শ্রীরামপুর।