নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি : আবারো সাংবাদিকক আক্রমণ ! মদ্যপ অবস্থায় দুর্ব্যবহার করে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা , হুমকী। এবার অভিযোগ দুই বিজেপির কর্মী বিএন বন্ধু এবং বুদ্ধদেব চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সোমবার সুকান্ত মজুমদারের সভায় সাংবাদিকদের ইমোটেশন করা হয়েছিল। সেখানে বিজেপির দুই পক্ষের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসে । এক সাংবাদিককে অভিযুক্ত ওই দুজন ব্যক্তি অভিযোগ করেন " আপনি যাদের বক্তব্য নেন তাদের মধ্যে তাপস দে উত্তরপাড়া বিজেপির মন্ডল সভাপতি বিভিন্ন প্রোমোটার এর কাছ থেকে তোলা তোলেন আর আপনি তাদেরই খবর করেন এরা অশিক্ষিত এদেরকে হাইলাইট না করে আমরা এখন জেলার পদ পেয়েছি আমাদেরকে হাইলাইট করুন।"
এরপর গত কাল রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ সুকান্ত মজুমদার সভাতে উপস্থিত হন এবং সেখানে তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য তিনি বলেন, তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তার করে ভোট জেতা যাবে না। যদি জেতা যেত তাহলে বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতারের পর সেখানে বিজেপি জয়লাভ করত। এই বক্তব্যের এক্সক্লুসিভ ভিডিও ক্যামেরা বন্দি করেন সাংবাদিক শুভ জ্যোতি চক্রবর্তী। এরপরেই তার উপর হামলার অভিযোগ ওঠে দুই বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে ।
জানা যায় , সভা সমাপ্তির পর বিএন বন্ধু নামক এক বিজেপি কর্মী বারংবার ফোন সাংবাদিক শুভজ্যোতি চক্রবর্তীকে জানায় সে বিপদে পড়েছে তাই সে তার সাথে দেখা করতে চায়। এরপরে সাংবাদিকের বাড়ির সামনে অন্ধকার গলিতে বিএন বন্ধু এবং বুদ্ধদেব রায় চৌধুরী নামে ওই দুই বিজেপি কর্মী মদ্যপ অবস্থায় এসে বলে যেহেতু তারা জেলায় পদ পেয়েছে তাই তাদের বাইট নিতে হবে। তারা আরও দাবি করে এই কর্মী সভায় যে কটা ভিডিও করা হয়েছে তা ডিলিট করতে হবে। মধ্যপ অবস্থায় তারা ওই সাংবাদিককে গালিগালাজ শুরু করে । ওই সাংবাদিক ঘটনার ভিডিও করতে গেলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়া হয় এবং মদ্যপ অবস্থায় সাংবাদিকের উপর আক্রমণ করা হয়।
ঘটনায় উত্তরপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এ বিষয়ে বিজেপির কর্মী অমর চ্যাটার্জী ক্ষমা চেয়ে জানান, আগেও এই দুজনের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় বিভিন্ন মানুষদের সাথে অশালীন আচরণের একাধিক অভিযোগ আছে এবং এই ঘটনার কথা তারা বিজেপির উচ্চ নেতৃত্ব দের জানিয়েছেন।
পাশাপাশি এই ঘটনায় উত্তরপাড়া উপপ্রধান জানান এরা মদ্যপ অবস্থায় বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির নেতা পরিচয় দিয়ে তোলাবাজি করে।