নিউজ ডেস্ক - বানারহাট থেকে জলপাইগুড়ি এসে ব্রাউন সুগার সেবনের অপরাধে গ্রেফতার এক সিভিক ভালান্টিয়ার। গ্রামবাসীরা বমাল পাকড়াও করে কোতোয়ালি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম কিশোর রায়। তাঁর এই কাজের জন্য জলপাইগুড়ি তিস্তা পারের পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালা পাড়া এলাকায় তোলপাড় হয়ে গেল। স্থানীয় সূত্রে খবর থেকে জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার বিকালে জলপাইগুড়ির বালাপাড়া এলাকায় এক অজ্ঞাত পরিচয় যুককে ঘোরাঘুরি করতে দেখে এলাকার কিছু লোকজনের সন্দেহ হলে ওই যুবকের কাছে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান রাস্তায় পাশে ঝোপের আড়ালে গিয়ে ওই যুবক ব্রাউন সুগার সেবন করছে। এরপরই তাঁকে কোতোয়ালি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
আবার অপরদিকে এই ঘটনা চলাকালীন ওই রাস্তা দিয়ে আরও এক ব্যাক্তি যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁর গতিবিধি দেখে সন্দেহ হওয়ায় তাঁকেও ধরে পুলিশের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পকেট সার্চ করে ২৪ টি নেশার ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করা হয়। ওই ব্যক্তির নাম সমীর মণ্ডল। তার বাড়ি জলপাইগুড়িতে। পুলিশ দু’জনকেই গ্রেফতার করে ।
স্থানীয় বাসিন্দা শুভঙ্কর তন্ত্র বলেন, “আমরাই প্রথমে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখি। এরপর তাঁকে হাতেনাতে পাকড়াও করি। ওর কাছ থেকে ব্রাউন সুগার পাওয়া গিয়েছে।” স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বাবলু বসাক বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা যাদের দায়িত্ব যাদের সেই সিভিক ভলান্টিয়ার যদি নেশার সামগ্রীর কারবারে যুক্ত হয়ে তাহলে গ্রামগঞ্জে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে তা বোঝাই যাচ্ছে। আমরা ওর কঠিন শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।” তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন কিশোর রায়। তিনি বলেন, আমি বানারহাট থেকে জলপাইগুড়ি স্টেশন রোডে এসে ব্রাউন সুগার কিনেছিলাম।"
ঘটনায় পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহালে জানান , মাদক সেবনের অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিভিক ভলেন্টিয়ারের কাছ থেকে দেড় গ্রাম ব্রাউন সুগার পাওয়া গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতে তোলা হবে। আইন বিরোধী কাজের অভিযোগে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে গত ১৬ অগাস্ট থেকে ডিউটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।