নিউজ ডেস্ক - বৃহস্পতিবার সকাল ৮.২০ নাগাদ প্রয়াত হলেন পশ্চিমবঙ্গের ১১ বছরের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তিনি ব্যক্তিগত ভাবে সততার নিরিখে ছিলেন এক বিরল রাজনীতিক। পরনে তার থাকত ধুতি-পাঞ্জাবি এবং কোলাপুরি চপ্পল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জন্ম হয়েছিল ১ মার্চ, ১৯৪৪ উত্তর কলকাতায়। তাঁর পূর্বপুরুষের আদি নিবাস বর্তমানের বাংলাদেশে।
তথ্য সংস্কৃতির সাথে সাথে বুদ্ধদেব স্বরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরেরও দায়িত্ব পালন করেছিলেন জ্যোতি বসুর মন্ত্রিসভায়। প্রশাসনের তরফ থেকে তিনিই পুলিশ দফতর পরিচালনা করতেন। ১৯৮৪ সাল বুদ্ধদেব সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সদস্য হিসাবে যোগদান করেন। আবার ১৯৮৫ থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। এরপর ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি মাসে জ্যোতি বসুর সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী এবং ২০০০ সালে পলিটব্যুরোর সদস্য হন । সে বছরই ৬ নভেম্বর বুদ্ধদেব জ্যোতিবাবু অবসর নেওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করেন । ২০১১ পর্যন্ত তিনি ওই পদে ছিলেন।শেষের দিকে দৃষ্টিশক্তি সমস্যার কারণে পড়াশোনা করতে পারতেন না। আবার দৃষ্টিশক্তি প্রায় চলে যাওয়ার কারণে শেষ বইটি তিনি নিজে হাতে লিখতেও পারেননি। তাঁর বলা কথা শুনে শুনে বইটি লেখা হয়েছিল।
বাংলার রাজনীতিতে বামশাসনের অবসানের সময়ে বুদ্ধদেবই ছিলেন নেতৃত্বে। কিন্তু তিনি রাজ্যের রাজনীতিতে বহু ক্রান্তিলগ্নের নায়ক হিসেবে থেকে যাবেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।