নিউজ ডেস্ক - বাঁশদ্রোণীতে পে-লোডারে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় এক ছাত্রের।আর সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হল দু’জনকে। তাঁদের মধ্যে একজন গাড়ির চালক ও অপরজন গাড়ির মালিক। পুলিশ সূত্রে খবর অনুযায়ী, গাড়ির চালকের নাম শম্ভু রাম এবং গাড়ির মালিক হলেন বিশ্বকর্মা শর্মা। জানা যাচ্ছে, গাড়ির মালিক ওই ঘটনার দিন শম্ভুকে পালাতে সাহায্য করেছিল।আর তাই সেই অভিযোগেই দমদম ও চিৎপুর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বিএনএস বা ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতার হয়েছে অভিযুক্তরা।
প্রসঙ্গ অনুযায়ী, মহালয়ার সকালে বাঁশদ্রোণীতে পে লোডারের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় চোদ্দো বছরের এক কিশোরের। যার জন্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা পে-লোডার ভাঙচুর করে।এই ঘটনায় কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ গুলিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ডিসি এসএসডি বিদিশা কলিতা বলেন, “এলাকার কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ হয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” পাশাপাশি বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ কমিশনার যা বলার বলেছেন। উনি থানায় কথা বলতে আসেন। তারপর সেখানে বসে যান এবং পুলিশের নিত্য নৈমিত্তিক কাজে বাধা দিতে থাকেন। যে কারণে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
Tags:
Crime