শেখ আব্দুল আজিম : শ্রীরামপুর থানার বৈদ্যবাটি এলাকায় নার্সারি রোডের এক দূর্গাপূজো মন্ডপে একটি উটকে মানুষের বিনোদনের জন্য প্রর্দশনের জন্য বেঁধে রাখা হয়েছে বলে সমাজ মাধ্যমে বিশিষ্ট অভিনেতা তথাগত মুখার্জি অভিযোগ করেন। ঐ পোস্টে পুজোর থিম হরপ্পা মহেঞ্জোদড়োর অনুকরণে হয়েছে বলেও জানান। ঐ পোস্ট দেখে আশ্রয়ের পক্ষ থেকে ঘটনার খোঁজ নিয়ে সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় কাজটা যে আইনত অপরাধ,এবং এই কাজটি আ্যনিম্যাল ক্রয়েলটি এ্যাক্ট অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ তা অনুদান প্রাপ্ত ক্লাব কর্তারা কেউ জানেনই না! সেদিনই স্থানীয় কিছু মানুষদের আপত্তিতে উটটিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন আবার উটটিকে সাজিয়ে মন্ডপের পাশে একটি স্থানে বেঁধে রাখা হয়।
অসহায় উটটির অবস্থা বিবেচনা করে আশ্রয় স্থানীয় বিধায়ক অরিন্দম গুইনকে আশ্রয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়, উটটিকে উদ্ধার করার। আশ্রয়ের সদস্য অভিষেক ঘোষ সর্বভারতীয় পশুপ্রেমী সংগঠনের ফেডারেশন, FIAPO (ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এ্যনিম্যাল প্রোটেকশন অর্গানাইজেশন।) -র কাছে ইমেইল করে অভিযোগ দায়ের করেন। আরও নানা পশুপ্রেমীদের সংগঠন বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দায়ের করে।
আজ, ২০ অক্টোবর ২০২৪ বেলা বারোটা নাগাদ আদালতের নির্দেশে বনদপ্তর ও পুলিশ বৈদ্যবাটীর উটটিকে উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয় পুজো কমিটির সদস্যরা বাধা দেয়। বাকবিতন্ডা হয়। ঐ সময় আনন্দবাজার পত্রিকার এক সাংবাদিক খবর সংগ্রহে গেলে তাঁকে নিগ্রহ করা হয়।শারীরিক ভাবে আঘাত করা হয়। তিনি ওয়ালশ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অবশেষে খবর পাওয়া গেছে শেষপর্যন্ত উটটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
আশ্রয় সর্বোতভাবে পশুনির্যাতন ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিকে হেনস্তা করার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর শাস্তি দাবি করছে।