নিউজ ডেস্ক - বন্যা ও ডানা ঘূর্নিঝড়ে হুগলি জেলার চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।কৃষকরা যাতে শস্য বীমার সুবিধা পায় তারজন্য তৎপর সরকার।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আজ হুগলি জেলাপরিষদ হলে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে রিভিউ মিটিং হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কৃষিজ বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্না,আরামবাগ সাংসদ মিতালী বাগ, সভাধিপতি রঞ্জন ধাড়া, ডিএম মুক্তা আর্য,বিধায়ক সহ জেলা ও ব্লক স্থরের কৃষি কর্মাধ্যক্ষবৃন্দ, পঞ্চায়েতের কৃষি সঞ্চালক এবং কৃষি আধিকারিকবৃন্দ।
কৃষি মন্ত্রী বলেন,"২০১৯ সাল থেকে শস্যবীমা হচ্ছে এই প্রথম এমন মিটিং করা হল।এবছর তিন বার আমাদের প্রাকৃতিক দূর্যোগের মধ্যে পরতে হয়েছে।প্রথমে অতি বৃষ্টি তার পর জল ছাড়া,তারপর ডানা ঝড়।এতে প্রকৃত কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছেন যারা কৃষি কাজ করে তারা যেন বীমার টাকা পায়।তাই আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।একমাত্র এই রাজ্যেই বীমার জন্য কোনো টাকা নেওয়া হয়না।সবটাই সরকার দেয়।এমনকি ভাগচাষী যারা তাদেরও বীমার টাকা দেওয়া হয়।কিছু তথ্যের সমস্যা আছে তবে কাজ ভালোই হয়েছে।বীমা পাওয়ার চারটি পর্যায় রয়েছে।স্যাটেলাইট থেকে ছবি নেওয়া।সবশেষে সরকারী আধিকারীকরা জমিতে গিয়ে দেখবেন।তারপর ফসল উৎপাদন কতটা কম হল সেটা দেখার পরই বীমার টাকা স্থির হবে।এই কাজ গুলো চলছে।আরও একমাস সময় বাড়ানো হয়েছে।কোনো চাষী বাদ পড়ুক চাইনা।"
হুগলি জেলায় ৪৩ হাজার ৫৪৬ হেক্টর খারিফ ধান নষ্ট হয়েছে।সবজি নষ্ট হয়েছে ১৫৭৫ হেক্টর। মোট ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৭০ জন। বীমা নিয়ে কোনো অভিযোগ যাতে না থাকে তার জন্য স্যাটেলাইট ছবির পরও জমিতে নেমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সরেজমিন হবে।