নিউজ ডেস্ক - গুজরাটের আহমেদাবাদের একটি হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার সুবিধা পাওয়ার জন্য জোর করে রোগীদের অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করানোর জেরে মৃত্যু ২ জনের, আইসিউতে ভর্তি ৫ জন। জানা যাচ্ছে, গত ১০ নভেম্বর ওই হাসপাতালের তরফ থেকে মহসেনা জেলার কাদির বোরিসানা গ্রামে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। আর সেখান থেকে ১৯ জনকে আরও কিছু পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে বিনামূল্যেই যাবতীয় চিকিৎসা করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরপর তাদের মধ্যে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করানো হয় ৭ জনের।অস্ত্রোপচারের পরই মৃত্যু হয় ২ রোগীর এবং আইসিইউ-তে ভর্তি ৫ জন। জানা গিয়েছে, ডাঃ প্রশান্ত ভাজিরানি নামক এক চিকিৎসকই অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করেছিলেন। মৃতদের পরিবারের অভিযোগ যে, স্টেন্ট বসানোর পরই মৃত্যু হয়েছে তাদের। কোনও সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও অস্ত্রোপচার করানোর জেরেই মৃত্যু হয়। হাসপাতাল থেকে প্রথমে মৃত্যুর খবরও দেওয়া হয়নি বলে পরিবারের তরফ থেকে জন্য যাচ্ছে।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হতেই গ্রামের মানুষরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়।আর এই ঘটনার পর থেকেই ওই চিকিৎসক এবং হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্তারা পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ পেতেই আহমেদাবাদ জেলা প্রশাসন , স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডাঃ ভাবিন সোলাঙ্কি, স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান দেবাং দানি এবং প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী নিতিন প্যাটেল ওই হাসপাতালে পৌঁছন।তবে হাসপাতালে চেয়ারম্যান, ডিরেক্টর থেকে শুরু করে চিকিৎসকরা সকলে পলাতক ছিলেন। কেবল হাসপাতালের আইসিইউতে মাত্র একজন চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন।