নিউজ ডেস্ক - রাজস্থানের ঝুনুঝুনুতে দেহ সৎকার করার সময় হঠাৎ করে জীবিত হয়ে উঠলেন মৃত্যু হয়ে যাওয়া ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে , সমস্ত প্রস্তুতি হয়ে গিয়েছিল, শুধুমাত্র চুল্লিতে ঢোকানোর অপেক্ষা। আর সেই সময়ে হঠাৎ প্লাস্টিকটা নড়ে উঠল এবং ভিতর থেকে বেরিয়ে এল হাত। এর পর খাটিয়ে থেকে উঠে বসলেন মৃত ওই ব্যক্তি।
হাসপাতাল থেকে মৃত ঘোষণা করা ময়নাতদন্তও করা কাটাছেঁড়া মৃতদেহ জীবিত হয়ে যাওয়া ঘটনা দেখে হতবাক সকলে।তবে এই ঘটনার পরই কর্তব্যের গাফিলতির অভিযোগ তুলে তিনজন চিকিৎসককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবং ঘটনাটির তদন্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, রোহিতেশ নামক মানসিক ভারসাম্যহীন ও বিশেষভাবে সক্ষম এক ব্যক্তিকে ঝুনুঝুনুর একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। আর ওই ব্যক্তি যে এনজিও-র তত্ত্বাবধানে থাকতেন, তারাই এনে ভর্তি করেন। তাই ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রাখা হয় ওই ব্যক্তিকে।ভর্তি করানোর কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা এসে জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ মর্গেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
তবে ময়দাতদন্তের মধ্যে রিপোর্ট মিথ্যা হল কি ভাবে ? আর উত্তরে জানা যাচ্ছে , ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় দেহটি দাবিদারহীন ভেবে চিকিৎসকরা আর ময়নাতদন্ত করেননি। নকল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তৈরি করে তা পুলিশকে দেওয়া হলে পুলিশ সৎকারের ব্যবস্থা করেন।আর এরপরই ঘটনাটি ঘটে।